জাতীয় সঙ্গীত
রবিবার | ৩১-০৫-২০২৬ |
রহমানিয়া নুরিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসা

রহমানিয়া নুরিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসা পোঃ ওয়ারুক, উপজেলা শাহরাস্তি, জেলা চাঁদপুর।

স্থাপিতঃ ১৯৯৫ খ্রিঃ
EIIN: 103997 | MPO Code: 0707102102
School Code: 19632

একাডেমিক

 

আচরণবিধি

 

ছাত্রদের অবশ্যই পালনীয় নিয়মাবলী

 

 

 

 

 

পরম করুনাময় আল্লাহ তা’আলা সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ করে সকল কাজ আরম্ভ করবে। স্ব স্ব ধর্মের বিধান মেনে চলবে।

 

 

 

মাতা-পিতা, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও বড়দের শ্রদ্ধা করবে এবং সালাম দেবে।

 

 

 

সৎ চিন্তা করবে, সৎ পথে চলবে, সত্য কথা বলবে, অন্যায়কে ঘৃণা এবং প্রতিহত করতে চেষ্টা করবে।

 

 

 

অধ্যবসায়ী ও পরিশ্রমী হবে। জীবনে সফলতার জন্য আল্লাহ/সৃষ্টিকর্তার উপর ভরসা করবে ও তার সাহায্য চাইবে।

 

 

 

স্কুল ইউনিফর্ম পরিধান করে নিয়মিত স্কুলে আসবে। স্কুল ইউনিফর্ম ছাড়া কোন অবস্থাতেই শ্রেণি এবং পরীক্ষার কক্ষে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না।

 

 

 

জাতীয় সংগীত, শপথ বাক্য ও মুসলমান ছাত্ররা সূরা ফাতিহা (বাংলা অর্থসহ) শুদ্ধ উচ্চারণে মুখস্ত করবে।

 

 

 

বিদ্যালয়ে কোন ছাত্র খেলার যে কোন সরঞ্জাম নিয়ে আসবে না।

 

 

 

ক্লাস বসার ১৫ মিনিট পূর্বে স্কুলে আসবে, যথারীতি ‘সমাবেশে’ যোগদান করবে এবং সেখান থেকে সারিবদ্ধভাবে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করবে।

 

 

 

শ্রেণির ঘন্টা বাজার পর ৫ মিনিটের মধ্যে যদি কোন শিক্ষক/শিক্ষিকা শ্রেণি কক্ষে না আসেন, তাহলে ‘শ্রেণি মনিটর’ সহকারী প্রধান শিক্ষক/শিক্ষিকা অথবা প্রধান শিক্ষককে অবশ্যই জানাবে।

 

 

 

স্কুল চলাকালীন সময়ে টিফিন পিরিয়ড ব্যতীত কোন ছাত্র শ্রেণিকক্ষের বাইরে কোথাও অনুমতি ছাড়া যেতে পারবে না।

 

 

 

শ্রেণি কক্ষের ময়লা-আবর্জনা, টিফিনের বর্জ্য ইত্যাদি যত্রতত্র জায়গায় না ফেলে ক্লাসে সংরক্ষিত ঝুড়িতে ফেলবে। মনে রেখো পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ ও ভদ্রতা রুচির পরিচায়ক।

 

 

 

টিফিন পিরিয়ডে দিবা শাখার মুসলিম ছাত্ররা জোহরের নামাজ আদায় করবে।

 

 

 

টিফিনের পর ওয়ার্নিং বাজার সাথে সাথে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করবে।

 

 

 

স্কুলের সম্পদ কেউ নষ্ট করলে উচ্চহারে জরিমানা আদায় করা হবে।

 

 

 

খেলাধুলা এবং বিদ্যালয়ের যেকোন অনুষ্ঠানের শান্তি-শৃঙ্খলা-একতা বজায় রেখে অনুষ্ঠানকে সুন্দর ও সফল করতে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করবে।

 

 

 

কোন ছাত্র স্কুল পালালে তাকে কঠোর শাস্তি ভোগ করতে হবে।

 

 

 

নিয়মিত পড়া শিখে স্কুলে আসবে এবং বাড়ির কাজ করে আনবে।

 

 

 

শ্রেণিতে পাঠদান করার সময় মনোযোগ দিয়ে শুনবে এবং বুঝতে চেষ্টা করবে। কোন পাঠ ভাল ভাবে বুঝতে না পারলে আবার বুঝিয়ে দিতে শিক্ষককে অনুরোধ করবে।

 

 

 

প্রতি পিরিয়ডে শিক্ষকগণ যে পাঠদান করবেন তা সংক্ষেপে “দৈনিক পাঠের বিবরণী” বইতে লিপিবদ্ধ করবে। বইটি বুঝতে না পারলে শিক্ষকদের সাহায্য প্রার্থনা করবে। বইটির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করবে। বইটি হারালে ৬০/= টাকার বিনিময়ে আবার সংগ্রহ করতে হবে।

 

 

 

পরীক্ষার হলে নকল করা, কথা-বার্তা বলা, বই-পত্র বা লেখা কোন কাগজ সঙ্গে আনা নিষেধ। এসব করলে তাকে বহিস্কার করা হবে।

 

 

 

ছুটির ঘন্টা বাজার পর শ্রেণিকক্ষের লাইট, ফ্যান বন্ধ করে সকল ছাত্র সারিবদ্ধভাবে নিঃশব্দে শ্রেণিকক্ষ ত্যাগ করবে।

 

 

 

স্কুলের দেয়ালে, দরজায়, জানালায় বা ডেস্কে কোন কিছু লিখলে কঠোর শাস্তি পেতে হবে।

 

 

 

ছাত্রদের একক বা কোন যৌথ আবেদন লিখিতভাবে শ্রেণি শিক্ষক/শিক্ষিকার মাধ্যমে প্রধান শিক্ষকের কাছে জমা দিতে হবে।

 

 

 

তিন মাসের বেতন একত্রে অন্যান্য পাওনাসহ জানুয়ারী-মার্চ, এপ্রিল-জুন, জুলাই-সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসের নির্ধারিত দিনে আদায় করা হবে।

 

 

 

কোন ছাত্র একই ক্লাসে দু’বার ফেল করলে সরকারি আইন অনুযায়ী সে অত্র বিদ্যালয়ে পড়ার আর কোন সুযোগ পাবে না।

 

 

 

কোন ছাত্রের আচার-আচরণে ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে, বিদ্যালয়ের বিধি-বিধান ও শৃঙ্খলা মেনে না চললে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। প্রয়োজনে বিদ্যালয় থেকে টি.সি. প্রদান করা হবে।

 

 

 

জরুরী প্রয়োজনে বিদ্যালয়ের শ্রেণি শিক্ষকের নিকট থেকে টেলিফোন/মোবাইল যোগাযোগ/তথ্য জানা যাবে।

 

 

 

অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার পর অভিভাবক দিবসে উত্তরপত্র অভিভাবককে নিয়ে শ্রেণিকক্ষে দেখতে হবে এবং শিক্ষকের সাথে কথা বলা যাবে। রেকর্ড যথাযথ সংরক্ষণের নিমিত্তে উত্তরপত্র বাড়িতে দেয়া হবে না।